দুর্নীতিগ্রস্ত ‘খাম্বা’ তারেকের রাজনীতির অন্তর্জাল—পর্ব ২
আজকের বর্তমান বাংলাদেশেও তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার ও দুর্নীতি একে অপরের পরিপূরক শব্দ।
রাষ্ট্রীয় সম্পদের সীমাহীন লুটপাট, চুরি-দুর্নীতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য সারা দেশে বিএনপির রাজনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে আজ সরকার গঠনের সাত মাসের মধ্যেই। দুর্নীতিবাজদের দুর্নীতির হাতেখড়ি তারেক রহমানের হাত ধরে হয়েছে। বাংলাদেশের দুর্নীতিবাজদের জনক হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে ইতিহাসে। তারেক রহমান দুর্নীতিবাজদের জাতীয় পিতা। তারেক হলো ‘নব্য দাউদ ইব্রাহিম’।
এছাড়াও জঙ্গিরানী খালেদার এই পুত্র জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্তি ও ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলায় পলাতক আসামি হওয়ায় বিএনপির সঙ্গে কূটনীতিকদের বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠকে তারেক জিয়াকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাবনাও দেওয়া হয়েছিল সে সময়।
তারেকের মতো লম্পট, দুর্নীতিবাজ আজকের বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী—তা জাতিকে অনেক ক্ষেত্রেই হতাশ করেছে। যেখানে সংসদেও তারেক রহমানের এই মাফিয়াতন্ত্র স্পষ্ট। যেখানে বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীকেও সংসদীয় স্বৈরতন্ত্রের মাধ্যমে কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে।
তারেক রহমান লন্ডনে পলাতক থাকা অবস্থায় যে ট্যাক্স ফাইল করেন, সেখানে আয়ের উৎস উল্লেখ করেন জুয়া খেলা।’ তারেক রহমানকে আগে মানুষ তাকে হাওয়া ভবনের চোর বলতো, এখন বলে আন্তঃমহাদেশীয় চোর। এই আন্তঃমহাদেশীয় চোর বলার কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, ট্যাক্স ফাইলে তিনি উল্লেখ করেছেন, জুয়া খেলে তিনি অর্থ উপার্জন করেন।’
এসবই তারেক রহমানের দুর্নীতির সাগরের কয়েক ফোঁটা মাত্র। এসব দুর্নীতির কোনো সদুত্তর দিতে পারবেন কি তারেক রহমান বা বিএনপির নেতৃবৃন্দ?
তারেক রহমানের মতো এমনই এক নেতৃত্বের হাতে আজকের বাংলাদেশ। যেখানে সংকট, উদ্বেগ ও নাগরিক নিরাপত্তা সকল ক্ষেত্রে প্রশ্নবিদ্ধ।
