দুই দশক পরও কেন ফিরে আসছে জঙ্গিবাদ ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিতর্ক?
গত ১২ই ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকেই বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা একটি ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর চাপ বা বৈষম্য ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। যা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ সম্পর্কে ভিন্ন ধরনের দাবি ও প্রশ্নকে উত্থাপন করছে।
বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক শক্তি। কিন্তু শহীদ জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কালো কু-পুত্র তারেক রহমানের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিয়ে বিতর্ক আছে। বিএনপি জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন ২০০১-২০০৬ বাংলাদেশের ক্ষমতার কাঠামোতে প্যারালালে ছিল তারেক রহমানের রাজনৈতিক কার্যালয় হাওয়া ভবন। যেখান থেকে বিভিন্ন নিয়োগ, ব্যবস্থা বাণিজ্য ও ক্ষমতার বলয়সহ সারাদেশে জঙ্গিবাদের নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ। ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা সহ সারাদেশে জঙ্গিদের সহিংস হয়ে ওঠার পেছনে ছিল প্রত্যক্ষ মদদ। আদালতের চোখে জঙ্গিবাদের উচ্চ পর্যায়ের একজন নির্দেশদাতা ছিলেন এবং সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। দীর্ঘ দুই দশক যুক্তরাজ্যের লন্ডনে পলাতক ছিলেন।
আজ দীর্ঘ দুই দশক পরেও কেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে জঙ্গিবাদ ও সংখ্যালঘুদের বিভিন্নভাবে নিপীড়নের বিষয়টি নতুন করে সামনে এলো?
সম্প্রতি বাংলাদেশের গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলায় ৮১–৮২ ফুট উচ্চতার রামমূর্তি নির্মাণকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে উস্কে দেয় বিএনপি। জাতীয় সংসদে যেহেতু জামায়াতে ইসলামী বর্তমানে বিরোধী দলের ভূমিকায়; এমন ক্ষেত্রে সংখ্যালঘুদের সঙ্গে ধর্ম, মুসলমান, জামায়াত ও উগ্রবাদী মুসলিম এমন ব্লেইমগেমে সম্পৃক্ত হয় বিএনপি।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ। যেখানে ধর্মীয় সহাবস্থান ও শ্রদ্ধাবোধ রয়েছে পারস্পরিক। সেখানে তারেক রহমান ও তাঁর বিএনপি বাংলাদেশে চলমান জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আন্দোলনসহ বাংলাদেশের নাগরিক সমস্যার সমাধানে ব্যর্থ হয়ে দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধাতে তৎপর। যাতে দেশের মানুষের নজর ভিন্নদিকে প্রবাহিত করা যায়।
কার্যত বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে মুচলেকা দিয়ে পালানোর মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক বেশ্যা, জারজ তারেক রহমান নিজের রাজনৈতিক ব্যর্থতা, অযোগ্যতা ও কুকর্মের উদাহরণ বহু আগেই প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এমন একজন রাজনৈতিক বেশ্যার হাতে আগামীর বাংলাদেশ কখনোই নিরাপদ নয়। আগামীতে বিএনপির পতনের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও সুশাসনকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
